ENGLISH  |  ARABIC  |  NNBDJOBS  |  BLOG
সর্বশেষ:
ব্রেকিং নিউজ

নিউজ ডেস্ক

১৩ জানুয়ারি ২০২২, ১৯:০১

হাতির চিকিৎসায় থাইল্যান্ডে প্রথম হাসপাতাল

23910_12.jpg
ছবি- সংগৃহীত
হাতির চিকিৎসার জন্য প্রথমবারের মতো হাসপাতাল তৈরি করলো থাইল্যান্ড। দেশটির লামপাং এলাকায় হাসপাতালটি তৈরি করা হয়েছে। যার প্রতিষ্ঠাতা সোয়াইদা সালওয়ালা নামের এক তরুণী।

থাইল্যান্ডের জঙ্গলে পাকা দেওয়াল,পাকা মেঝে আর ঢেউ খেলানো টিনের ছাদ দিয়ে তৈরি করা হয়েছে হাসপাতালটি। অ্যাম্বুলেন্স হিসেবে ব্যবহার করা হয়ে থাকে ক্রেন। এখানে আছে ডিজিটাল এক্স-রে, থার্মাল ইমেজিং, আলট্রাসোনোগ্রাফি আছে ঘুমপাড়ানি বন্দুক এমনকি কোয়ারেন্টাইন ব্যবস্থাও। এ ছাড়া আরও আছে লেজার ট্রিটমেন্ট,দাঁতের এক্স-রে এবং হাইড্রোথেরাপি ও অপারেশনের ব্যবস্থাও।

হাসপাতালের প্রতিষ্ঠাতা সোয়াদিয়া সালওয়ালা জানিয়েছেন, এই হাসপাতালের শারীরিক স্বাস্থ্য চিকিৎসার পাশাপাশি হাতিদের মনস্তাত্বিক চিকিৎসা দেওয়া হয়। এখন পর্যন্ত প্রায় ৩০০০ হাতির চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।

হাসপাতাল নির্মাণ প্রসঙ্গে তিনি জানান, তিনি ও তার পিতা মিলে প্রথমে গাড়ি ধাক্কায় আহত এক হাতির চিকিৎসা করেন। তবে কোনো হাসাতাল না থাকায় হাতিটি অবশেষে হৃদযন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে মারা যায়। তিনি ছোটবেলা থেকে আজন্ম স্বপ্ন দেখতেন হাতির একটি হাসাতাল তৈরি করবেন। তাই তিনি প্রতিষ্ঠা করেছেন, ‘দ্য ফ্রেন্ডস অব দ্য এশিয়ান ইলফ্যান্ট হসপিটাল’ নামে হাতির এই হাসপাতাল।’

হাসপাতালটিতে বেশ কয়েকজন অর্থপেডিক সার্জন ডাক্তার সেবা দিয়ে যাচ্ছেন। সঙ্গে নার্স হিসেবে রয়েছেন অসংখ্য স্বেচ্ছাকর্মী। হাতি হাসপাতালে দুই থেকে সাত টন ওজনের একেকটি অসুস্থ হাতিকে পথ্য হিসেবে প্রতিদিন ২০ লিটার গ্লুকোজ ও পাঁচ ছড়ি কলা খাওয়ানো হয়।

প্রসঙ্গত, প্রতি বছর দেশটিতে মারা যায় গড়ে ২০০টি হাতি আর জন্ম নেয় মাত্র ১৫টি। হাতি রক্ষায় যত্নবান হওয়ার জন্যই  থাই সরকার এই হাতির হাসপাতাল নির্মাণের উদ্যোগ নিয়েছে।