ENGLISH  |  ARABIC  |  NNBDJOBS  |  BLOG
সর্বশেষ:
ব্রেকিং নিউজ

নাজমুল ইসলাম, স্টাফ রিপোর্টার

১১ জানুয়ারি ২০২২, ১৮:০১

ভাপা-পুলির ঘ্রাণ, জুড়ায় মন ও প্রাণ

23808_3.jpg
ফাইল ছবি
শীতকাল মানেই কূয়াশাছন্ন বাঙালির মনে উঁকি দেয় হড়েক রকম পিঠার কথা। মৃদু শীতে পিঠা ছাড়া সকাল সন্ধ্যা যেন মলিন ও নিস্তেজ। তাইতো রাজধানীজুড়ে শীতের আমেজ ভিন্ন মাত্রায় এনে দিতে রাস্তার মোড়ে মোড়ে পিঠা পুলির ধুম পড়ে যায়।

গ্রামবাংলার লোকজন প্রায়ই পিঠা-পুলির স্বাদ পেলেও রাজধানীবাসী অনেকটা বঞ্চিত। তবে শীতকালে রাজধানীর অলিগলি থেকে শুরু করে বিভিন্ন মোড়ে মৌসুমি বিক্রেতারা ভ্রাম্যমাণ দোকানে পিঠা বিক্রি করে থাকেন। আর এসব দোকানের সামনে দাঁড়িয়ে গরম ধোঁয়া ওঠা পিঠা খেতে ভিড় জমাচ্ছেন নানা বয়সের মানুষ।

শহরের বিভিন্ন জায়গা ঘুরে দেখা যায়, রাস্তার পাশে বা ফুটপাতে গড়ে ওঠা এসব মাটি, গ্যাস ও সিমেন্টের চুলায় তৈরি হচ্ছে নানান ধরনের পিঠা। এর মধ্যে বেশি বিক্রি হচ্ছে ভাপা ও চিতই পিঠা। গরম-গরম ধোঁয়া ওঠা চিতই পিঠার মূল আকর্ষণ হলো নানা পদের ঝাল-ঝাল ভর্তা।

লালবাগে কথা হয় ঢাবি ছাত্র রিফাতের সঙ্গে, তিনি এসেছেন বন্ধুদের সাথে আড্ডা দিতে। আড্ডা দিতে দিতে রাস্তার পাশে তৈরি হওয়া গরম পিঠা দেখে লোভ সামলাতে পারেননি। ধোঁয়া ওঠা ভাঁপা পিঠার স্বাদ নিতে নিতে তিনি বলেন, ‘চালের গুঁড়া, নারিকেল আর খেজুরের গুড় দিয়ে তৈরি পিঠাগুলোর স্বাদ একদম ঘরের তৈরি পিঠার মতো। চুলা থেকে নামানো মাত্র খাচ্ছি। গরম-গরম খাওয়ার মজাই আলাদা।’

একই বিশ্ববিদ্যালয়র আরেক শিক্ষার্থী জনি বলেন. আমাদের গ্রামে ২০-২৫ ধরনের পিঠার প্রচলন রয়েছে। যেমন, ভাপা পিঠা, নকশি, চিতই, রসপিঠা, ডিম চিতই, পাটিসাপটা, পাকান, হাঁড়িপিঠা, চাপড়ি, পাতাপিঠা, সুন্দরী পাকান, পুলি, পানতোয়া, মালপোয়া, মালাই, ক্ষীরকুলি, লবঙ্গ লতিকা, ঝালপোয়া, তিলপিঠা, নারিকেল, সিদ্ধপুলি ও দুধপুলি পিঠা। কিন্তু এখনে তো ৩-৪ পিঠার প্রচলন বেশি।

পিঠা বিক্রেতা সালাহউদ্দিন বলেন, শীতকালেই মানুষ পিঠা খেতে বেশি পছন্দ করে। বিকাল ৪টা থেকে রাত ১০টা-১১টা পর্যন্ত দোকান চালাই। কমবেশি প্রতিদিনই মানুষ তাদের পরিবার নিয়ে পিঠা খেতে আসে আমার দোকানে।

প্রসঙ্গত, রাস্তার মোড়ে বিক্রি হওয়া চিতই পিঠার মূল আকর্ষণ, সঙ্গে কয়েক পদের ভর্তা। এতে রয়েছে সরিষা, কালোজিরা, ধনেপাতা, শুঁটকি, ডালের ভর্তা।