ENGLISH  |  ARABIC  |  NNBDJOBS  |  BLOG
সর্বশেষ:
ব্রেকিং নিউজ

নিউজ ডেস্ক

১১ ডিসেম্বর ২০২১, ১৩:১২

‘নারীর নায্য অধিকার আদায়ে বেগম রোকেয়া অন্যতম পথিকৃৎ’

22866_Rokeya2.jpg
মুসলিম নারী জাগরণের অন্যতম পথিকৃৎবেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন। মুসলিম নারী সমাজের নায্য অধিকার আদায়ে বেগম রোকেয়ার জীবন ও কর্মকে যথাযথভাবে অনুসরণ করতে হবে বলেছেন নারী অধিকার আন্দোলনের বক্তারা।

শুক্রবার বেগম রোকেয়া দিবস উপলক্ষে ‘মহীয়সী বেগম রোকেয়ার জীবন ও কর্ম’ শীর্ষক এক ভার্চুয়াল আলোচনা সভায় একথা বলেন তারা। নারী অধিকার আন্দোলনের সেক্রেটারি প্রফেসর ডাঃ হাবিবা চৌধুরী সুইটের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন দেশিক সমাজকল্যাণ সংস্থা পরিচালক নূরুন নেসা সিদ্দিকা ও ইস্টার্ন ইউনিভার্সিটির সমাজ সেবা বিভাগের কো-অর্ডিনেটর ও সহযোগি অধ্যাপক ড. শারমিন ইসলাম ও জাগো নারী ফাউন্ডেশনের সভানেত্রী মুস্তারী বেগম প্রমূখ।

আলোচনা সভায় বক্তারা বলেন, বেগম রোকেয়া ছিলেন বাঙালি মুসলিম নারী জাগরণের অগ্রদূত। ইসলামী আদর্শের ভিত্তিতে তার ক্ষুরধার লেখনীসহ জীবনের সকল কর্মপ্রচেষ্টাকে মুসলিম নারী সমাজের মুক্তির জন্য নিয়োজিত করেছিলেন। তিনি ছিলেন একাধারে মুসলিম চিন্তাবিদ, প্রাবন্ধিক, ঔপন্যাসিক, সাহিত্যিক ও সমাজ সংস্কারক। ২০০৪ সালে বিবিসি বাংলার ‘সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি’ জরিপে ষষ্ঠ নির্বাচিত হয়েছিলেন বেগম রোকেয়া। তাই মুসলিম নারী সমাজের নায্য অধিকার আদায়ে বেগম রোকেয়ার জীবন ও কর্মকে যথাযথভাবে অনুসরণ করতে হবে।

বেগম রোকেয়ার প্রবন্ধের বিষয় ব্যাপক ও বিস্তৃত ছিল উল্লেখ করে বক্তারা বলেন, বিজ্ঞান সম্পর্কেও তার অনুসন্ধিৎসার পরিচয় পাওয়া যায় বিভিন্ন রচনায়। ‘মতিচূর’ (১৯০৪) প্রবন্ধে রোকেয়া নারী-পুরুষের সমকক্ষতার যুক্তি দিয়ে নারীদের অর্থনৈতিক, সামাজিক ও রাজনৈতিক অধিকার অর্জন করে নায্য অধিকার প্রতিষ্ঠায় আহ্বান জানিয়েছেন। নারীর মুক্তি আন্দোলনকে বেগবান করার জন্য বেগম রোকেয়ার মনন ও মনীষার অনুশীলন করার কোন বিকল্প নেই বলেও উল্লেখ করেন বক্তারা।

বক্তারা আরো বলেন, বেগম রোকেয়া বিশ্বাস করতেন, মানব জাতি পুরুষ ও নারীর মিলিত ধারারই ফল। নারীর নায্য অধিকার প্রতিষ্ঠায় বেগম রোকেয়ার প্রেরণায় উদ্বুদ্ধ হয়ে নারী সমাজকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহবান জানান তারা।