ENGLISH  |  ARABIC  |  NNBDJOBS  |  BLOG
সর্বশেষ:

এনএনবিডি২৪ ডেস্ক

৬ জুলাই ২০২১, ১৭:০৭

চলতি মাসেই আসছে অক্সফোর্ডের ১০ লাখ টিকা: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

19051_517161_160.jpg
ছবি- সংগৃহীত
করোনাভাইরাসের ব্যাপক সংক্রমণের মাঝে অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকার টিকার সঙ্কটের কারণে দেশে অনেকের দ্বিতীয় ডোজ আটকে আছে, সেই প্রতিষ্ঠানের তৈরি ভ্যাকসিনের ১০ লাখ ডোজ চলতি মাসেই আসছে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক।
 
অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকার টিকার বিষয়ে স্বাস্থ্যমন্ত্রী সাংবাদিকদের বলেন, এই টিকা বাংলাদেশ পাবে কোভ্যাক্সের আওতায়। এছাড়া ভারতের সেরাম ইনস্টিটিউট থেকেও আগস্টে টিকার চালান আসার কথা রয়েছে।
 
স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, সেরাম ইনস্টিটিউট থেকে কত ডোজ করে টিকা দেবে সে বিষয়ে স্পষ্ট করে কিছু বলেনি। তবে ভালো পরিমাণ টিকাই দেবে বলে আমাদের আশ্বাস দিয়ে রেখেছে।
 
ভারতের সেরাম ইনস্টিটিউটের কাছ থেকে অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকার টিকা কোভিশিল্ডের তিন কোটি ডোজ কেনার জন্য গত বছরের শেষ দিকে চুক্তি করেছিল বাংলাদেশ। সেই টিকার প্রথম চালান পাওয়ার পর ৭ ফেব্রুয়ারি সারাদেশে গণটিকাদান শুরু হয়।
 
কিন্তু সেরাম ইনস্টিটিউট দুই চালানে ৭০ লাখ ডোজ পাঠানোর পর ভারত রপ্তানি বন্ধ করে দিলে সঙ্কটে পড়ে বাংলাদেশ। পর্যাপ্ত টিকা না থাকায় ২৫ এপ্রিল দেশে প্রথম ডোজ দেওয়া বন্ধ হয়ে যায়। যারা প্রথম ডোজ নিয়েছেন, তাদের সবাইকে দ্বিতীয় ডোজ দেওয়া যায়নি।
 
এ পরিস্থিতিতে সরকার চীনা টিকা কেনার উদ্যোগ নিলেও যারা প্রথম ডোজে অ্যাস্ট্রাজেনেকার টিকা নিয়েছেন, তাদের জন্য ওই টিকার বিকল্প নেই।
 
কেনা টিকার বাইরে ভারত সরকারের কাছ থেকে উপহার হিসেবে ৩২ লাখ ডোজ কোভিশিল্ড পেয়েছিল বাংলাদেশ। সব মিলিয়ে হাতে ছিল এ টিকার ১ কোটি ২ লাখ ডোজ।
 
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হিসাবে, গত রবিবার পর্যন্ত ৫৮ লাখ ২০ হাজার ১৫ জনকে কোভিশিল্ডের প্রথম ডোজ দেওয়া হয়েছে। তাদের সবাইকে দ্বিতীয় ডোজ দিতে হলে প্রয়োজন ১ কোটি ১৬ লাখ ৪০ হাজার ৩০ ডোজ টিকা।
 
চুক্তি অনুযায়ী, প্রতি মাসে ৫০ লাখ ডোজ কোভিশিল্ড বাংলাদেশে পাঠানোর কথা ছিল ভারতের সেরাম ইনস্টিটিউটের। সেজন্য অগ্রিম হিসেবে ৬০০ কোটি টাকার বেশি তাদের পরিশোধও করা হয়েছিল। কিন্তু ভারত আগে নিজেদের চাহিদা পূরণ করতে রপ্তানি বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিলে ফেব্রুয়ারির পর কেনা টিকার আর কোনো চালান সেরাম ইনস্টিটিউটের কাছ থেকে বাংলাদেশ পায়নি।