ENGLISH  |  ARABIC  |  NNBDJOBS  |  BLOG
সর্বশেষ:
ব্রেকিং নিউজ
  • মালয়েশিয়ায় সর্বাত্নক লকডাউনের ঘোষণা
  • সোহবত ছাড়া দাওয়াত ফলপ্রসূ হয় না
  • দশ মিনিটে ক্যান্সার পরীক্ষা, হার্ভার্ডে ডাক পেলেন আবু আলী
  • দ্বিতীয় শ্রেণিতে পাশ করেও রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক!
  • দেশে নতুন সেনাপ্রধান এস এম শফিউদ্দিন আহমেদ

এনএনবিডি ডেস্ক

৯ জুন ২০২১, ১২:০৬

আগামী তিন অর্থবছরে সুদে ব্যয় হবে দুই লাখ ৩৪ হাজার ৩০০ কোটি টাকা

18210_00.jpg
ছবি- সংগৃহীত
আগামী তিন অর্থবছরে শুধু সুদ পরিশোধেই ব্যয় করতে হবে দুই লাখ ৩৪ হাজার ৩০০ কোটি টাকা। এর মধ্যে অভ্যন্তরীণ সুদ পরিশোধে ব্যয় হবে দুই লাখ পাঁচ হাজার ২৩০ কোটি টাকা। বাকি অর্থ ব্যয় করা হবে বিদেশী ঋণের সুদ পরিশোধে। অর্থ বিভাগের মধ্যমেয়াদি সামষ্টিক অর্থনৈতিক নীতি বিবৃতিতে এ তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে।

এতে বলা হয়, আগামী ২০২১-২২ অর্থবছরে সুদ পরিশোধে ব্যয় হবে ৬৮ হাজার ৫৯০ কোটি টাকা। তার পরের দুই অর্থবছর (২০২২-২৩ ও ২০২৩-২৪) অর্থবছরে এ খাতে ব্যয় হবে যথাক্রমে ৭৭ হাজার ৫৫ কোটি ও ৮৮ হাজার ১৬০ কোটি টাকা। তিন বছরে শুধু অভ্যন্তরীণ ঋণের সুদ পরিশোধে ব্যয় হবে যথাক্রমে ৬২ হাজার কোটি, ৬৯ হাজার ৮০০ কোটি এবং ৭১ হাজার ৪৩০ কোটি টাকা।

নীতি বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়, মোট অর্থায়নের একটি বড় অংশ বাইরের উৎস থেকে রেয়াতি সুবিধা সম্পন্ন ঋণ হিসেবে পাওয়ায় সরকার অতীতে সামগ্রিক অর্থায়ন ব্যয় তুলনামূলকভাবে কমিয়ে রাখতে পেরেছে। বিগত পাঁচ বছরে (২০১৫-১৬ থেকে ২০১৯-২০ অর্থবছর) বহিঃঅর্থায়নের বিপরীতে সুদ বাবদ ব্যয় ছিল সরকারি ব্যয়ের শূন্য দশমিক ৯ শতাংশ এবং বহিঃঅর্থায়নের বিপরীতে অন্তর্নিহিত সুদ হার ছিল গড়ে মাত্র এক দশমিক ১ শতাংশ। তবে বাইরের উৎস থেকে ঋণের পরিমাণ বেড়ে যাওয়ায় বহিঃঋণের বিপরীতে সুদ বাবদ ব্যয় সামান্য বেড়েছে। অন্য দিকে যেহেতু নিকট অতীতে সরকার প্রায়ই ব্যয়বহুল ব্যাংকবহির্ভূত উৎস থেকে ঋণ নিয়ে অর্থায়নের চাহিদা মেটাতে হয়েছে, তাই অভ্যন্তরীণ ঋণের বিপরীতে পরিশোধিত সুদ সরকারের মোট সুদ ব্যয়ের প্রধানতম অংশ ছিল। বিগত পাঁচ বছরে অভ্যন্তরীণ ঋণের বিপরীতে সুদ বাবদ গড় ব্যয় ছিল বাজেট ব্যয়ের ১২ দশমিক ৪৪ শতাংশ এবং গড় অন্তর্নিহিত সুদহার ছিল মাত্র ৯ দশমিক ৪২ শতাংশ।

এ দিকে আট বছরের ব্যবধানে সুদ ব্যয় সাত গুণ বৃদ্ধি পেয়েছে। বিগত বছরগুলোর দিকে তাকালে দেখা যায়, প্রতি বছর সরকারের সুদ ব্যয় বেড়েই চলেছে। চলতি ২০২০-২১ অর্থবছরের সংশোধিত বাজেটে সুদ খাতে ব্যয় ধরা হয়েছে ৬৩ হাজার ৮২৩ কোটি টাকা। মূল বাজেটে যা ছিল ৬৩ হাজার ৮০১ কোটি টাকা। সুদ ব্যয়ের মধ্যে অভ্যন্তরীণ সুদ খাতে ব্যয় ধরা হয়েছে ৫৮ হাজার ৫০০ কোটি টাকা এবং বৈদেশিক ঋণের সুদ ব্যয় ধরা আছে পাঁচ হাজার ৩২৩ কোটি টাকা।

একইভাবে ২০১৯-২০ অর্থবছরে সুদ খাতে ব্যয় করা হয়েছে ৫৭ হাজার ৬৬৪ কোটি টাকা। এর মধ্যে অভ্যন্তরীণ খাতে সুদ ব্যয় হয়েছে ৫২ হাজার ৭৯৬ কোটি টাকা এবং বিদেশী ঋণের সুদ ব্যয় চার হাজার ৮৬৮ কোটি টাকা। এর আগের ২০১৮-১৯ অর্থবছরে অভ্যন্তরীণ খাতে সুদ ব্যয় ছিল ৪৫ হাজার ২৭৮ কোটি টাকা এবং বিদেশী সুদ ব্যয় তিন হাজার ৪৬৭ কোটি টাকা। ২০১৭-১৮ অর্থবছরে অভ্যন্তরীণ সুদ ব্যয় ৩৮ হাজার ১৬০ কোটি টাকা এবং বিদেশী ঋণের সুদ ব্যয় ছিল তিন হাজার ৬০৫ কোটি টাকা।

একইভাবে ২০১৬-১৭ অর্থবছরে এই ব্যয় যথাক্রমে ৩৮ হাজার ২৪০ কোটি টাকা এবং এক হাজার ৭১১ কোটি টাকা। ২০১৫-১৬ অর্থবছরে ৩০ হাজার ৪৪ কোটি টাকা ও এক হাজার ৬২৫ কোটি টাকা এবং ২০১৪-১৫ অর্থবছরে অভ্যন্তরীণ সুদ ব্যয় ছিল ২৯ হাজার ৪৩৬ কোটি টাকা এবং বিদেশী ঋণের সুদ ব্যয় হয়েছে এক হাজার ৫৩৭ কোটি টাকা।