ENGLISH  |  ARABIC  |  NNBDJOBS  |  BLOG
সর্বশেষ:
ব্রেকিং নিউজ
  • মালয়েশিয়ায় সর্বাত্নক লকডাউনের ঘোষণা
  • সোহবত ছাড়া দাওয়াত ফলপ্রসূ হয় না
  • দশ মিনিটে ক্যান্সার পরীক্ষা, হার্ভার্ডে ডাক পেলেন আবু আলী
  • দ্বিতীয় শ্রেণিতে পাশ করেও রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক!
  • দেশে নতুন সেনাপ্রধান এস এম শফিউদ্দিন আহমেদ

নিজস্ব প্রতিবেদক

১ জুন ২০২১, ১৭:০৬

কনটেইনারে সরিষা বীজের আড়ালে পপি বীজ!

17923_465341201210.jpg
মালায়েশিয়া থেকে আমদানি করা দুটি কনটেইনারে সরিষা বীজের আড়ালে নিষিদ্ধ পপি বীজ আমদানি করায় একটি চালান আটক করেছে চট্টগ্রামের শুল্ক বিভাগ।
 
 সোমবার রাতে চট্টগ্রাম শুল্ক বিভাগের অডিট, ইনভেস্টিগেশন অ্যান্ড রিসার্চ (এআইআর) শাখা এসব বীজ জব্দ করে।
 
এআইআর শাখার সহকারী কমিশনার রেজাউল করিম জানান, সরিষা ও পপি বীজ দেখতে একই রকম হওয়ায় সুযোগ কাজে লাগিয়ে সামনের দিকে সরিষা ও পিছনে নিষিদ্ধ পপি বীজ আমদানি আামদানিকারক কোম্পানী।আজমিন ট্রেড সেন্টার নামের একটি কোম্পানী এটি আমদানি করে। মালয়েশিয়া থেকে িএই বীজ আমদানি করা হয়েছে বলেও জানান তিনি।
 
তিনি জানান, কনটেইনার দুটি খালাসের কার্যক্রম শুরু হলে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তা স্থগিত করা হয়। পরে গত ২২ এপ্রিল সরেজমিন পরীক্ষায় ৫৪ টন সরিষা বীজের জায়গায় ৪২ টন পপি বীজ ও ১২ টন সরিষা বীজ পাওয়া যায় বলে জানান এ শুল্ক কর্মকর্তা।
 
রেজাউল করিম বলেন, “নিশ্চিত হওয়ার জন্য ওই বীজের নমুনা চট্টগ্রামে কয়েকটি পরীক্ষাগারে এবং পরে ঢাকায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের পরীক্ষাগারে পাঠানো হয়েছিল। সোমবার প্রতিবেদনে পেলে নিশ্চিত হওয়ার পর এসব জব্দ করা হয়।”
 
পপি গাছের তিনশ প্রজাতির মধ্যে ওপিয়াম পপির ফল থেকে যে নির্যাস পাওয়া যায়, তা দিয়ে তৈরি হয় আফিম। সেখান থেকে হেরোইন ও মরফিনের মত মাদকও তৈরি করা হয়। বীজ থেকেই চাষ করা যায় পপি।
 
পপি বীজ আটকের এ ঘটনায় শুল্ক আইনে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছেন শুল্ক কর্মকর্তা রেজাউল করিম।
 
গত এপ্রিলে পণ্য ওঠানামায় নিয়োজিত সিঅ্যান্ডএফ কোম্পানি হটলাইন কার্গো ইন্টারন্যাশনাল এসব বীজ খালাসের জন্য বিল অব এন্ট্রি দাখিল করে এবং শুল্ক বাবদ এক লাখ ৪২ হাজার ৪৯৭ টাকা জমা দেয়।
 
কাস্টমস কর্মকর্তারা বলছেন, আমদানি করা পপি বীজের দাম প্রায় ১৫ কোটি টাকা হলেও এলসিতে সরিষা বীজের দাম বাবদ ২২ লাখ টাকা পরিশোধের তথ্য দিয়েছে আমদানিকারক প্রতিষ্ঠানটি।
 
সেক্ষেত্রে বাকি টাকা পাচার করা হয়েছে বলে ধারণা করছেন কর্মকর্তারা, যা মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইনে দণ্ডনীয় অপরাধ।