ENGLISH  |  ARABIC  |  NNBDJOBS  |  BLOG
সর্বশেষ:
ব্রেকিং নিউজ

এনএনবিডি ডেস্ক

১৭ ডিসেম্বর ২০২১, ১২:১২

সৌভাগ্যের বার্তাবাহক হচ্ছে কন্যা সন্তান

23020_ridwana5555.jpg
কন্যা সন্তান সৌভাগ্যের বার্তাবাহক। এটি যারা উপলব্ধি করতে পারেন এবং তাদের যথাযথভাবে লালন করবেন, তারা দুনিয়া ও আখিরাত উভয় জগতেই সফলকাম হবেন বলে নিশ্চয়তা দিয়েছেন আল্লাহর রাসুল (সঃ)।

হজরত আনাস বিন মালিক রা: থেকে বর্ণিত- তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সা: বলেছেন, ‘যে লোক দু’টি মেয়ে সন্তানকে লালন-পালন করবে, আমি এবং সে এভাবে একসাথে পাশাপাশি জান্নাতে যাবো। এই বলে তিনি নিজের হাতের দু’টি আঙুল একত্র করে ইশারায় বুঝিয়ে দিলেন।’ (তিরমিজি-১৯১৪)

হজরত আয়েশা রা: বলেন, এক মহিলা তার দু’টি মেয়ে সন্তানসহ আমার কাছে এসে কিছু চাইল। সে আমার কাছে মাত্র একটি খেজুরই ছিল। আমি তাকে তাই দিলাম। সে তা গ্রহণ করে তা দু’ভাগে ভাগ করে দু’মেয়েকে দিলো। নিজে কিছুই খেলো না। তারপর সে দাঁড়িয়ে গেল এবং বের হয়ে গেল। কিছুক্ষণ পর রাসূলুল্লাহ সা: আমার কাছে প্রবেশ করলে আমি তাকে ওই মহিলা এবং তার মেয়েদের সম্পর্কে জানালাম। তখন রাসূলুল্লাহ সা: বললেন, ‘যে কেউ মেয়েদের নিয়ে দুঃখ কষ্টে পড়বে এবং তাদের প্রতি সদ্ব্যবহার করবে, সেগুলো তার জন্য জাহান্নামের আগুন থেকে বাধা হয়ে দাঁড়াবে।’ (বুখারি-১৪১৮, মুসলিম-২৬২৯)

রাসূলুল্লাহ সা: নিজের জীবনে কন্যা সন্তানের প্রতি কেমন ভালোবাসা থাকা উচিত, তার নজির স্থাপন করেছেন। ফাতেমা রা:সহ মেয়েদের সাথে তাঁর উত্তম আচরণ ও মহব্বতের বহিঃপ্রকাশ প্রেরণা জোগায়। বুখারির বর্ণনায় পাওয়া যায়- হজরত আয়েশা রা: থেকে বর্ণিত- তিনি বলেন, নবী সা:-এর চলার ভঙ্গিতে চলতে চলতে ফাতেমা রা: আমাদের কাছে আগমন করলেন। তাকে দেখে নবী সা: বললেন, আমার স্নেহের কন্যাকে মোবারকবাদ। অতঃপর তাকে তার ডানপাশে অথবা বাম পাশে বসালেন এবং তার সাথে চুপিচুপি কথা বললেন। তখন ফাতেমা রা: কেঁদে দিলেন। আমি (আয়েশা রা:) তাকে বললাম, কাঁদছেন কেন? নবী সা: পুনরায় চুপিচুপি তার সাথে কথা বললেন।