ENGLISH  |  ARABIC  |  NNBDJOBS  |  BLOG
সর্বশেষ:

এনএনবিডি ডেস্ক

৫ অক্টোবর ২০২১, ১২:১০

ফেসবুক-বিভ্রাটে ৬ ঘন্টায় অন্তত ৭ বিলিয়ন ডলার হারালেন মার্ক জাকারবার্গ

20986_16743.jpg
বিশ্বব্যাপী ফেসবুক-ইনস্টাগ্রাম- হোয়াটস অ্যাপ সার্ভারজনিত সমস্যায় ৬ ঘন্টা বন্ধ থাকায় মোট সম্পদের অন্তত ৭ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের ক্ষতি হয়েছে প্রতিষ্ঠাতা মার্ক জাকারবার্গের। আর এতেই বিশ্বের ধনীদের তালিকা থেকে নিজের অবস্থান নিচে নেমে এসেছে।- ব্লুমবার্গ

ইয়াহু ফাইন্যান্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সোমবার শেয়ার বাজারে ফেসবুকের শেয়ারের দাম কমেছে ৪.৯ শতাংশ । যা গত সেপ্টেম্বরের মাঝামাঝি সময় থেকে হিসেব করলে অন্তত ১৫ শতাংশ কম।

গতকাল সোমবার রাতে হঠাৎ বন্ধ হয়ে যায় ফেসবুক, ইনস্টাগ্রাম, হোয়াটসঅ্যাপসহ ফেসবুকের মালিকানাধীন সব সেবা। প্রায় ছয় ঘণ্টা বন্ধ থাকার পর ক্রমে ক্রমে সেগুলো অনলাইনে আসতে থাকে। টেক জায়ান্টটির প্রধান প্রযুক্তি কর্মকর্তা মাইক শ্রোফার এমন বিড়ম্বনার জন্য ব্যবহারকারীদের কাছে ক্ষমা চেয়েছেন।

জাকারবার্গ নিজেও এক ফেসবুক পোস্টে ক্ষমা চেয়ে লিখেছেন, ‘ফেসবুক, ইনস্টাগ্রাম, হোয়াটসঅ্যাপ ও মেসেঞ্জার অনলাইনে ফিরে আসছে। এই সমস্যার জন্য দুঃখিত। আমি জানি পছন্দের মানুষের সঙ্গে যুক্ত থাকতে আমাদের সেবার ওপর আপনারা কতটা নির্ভর করেন।’

ব্লুমবার্গের সর্বশেষ রিপোর্ট অনুযায়ী, বর্তমানে জাকারবার্গের নেট সম্পদের পরিমান কমে দাঁড়িয়েছে ১২১.৬ বিলিয়ন মার্কিন ডলারে। আর এর ফলে বিলিয়নিয়ার ক্লাবে বিল গেটসের নিচে ৫ নম্বরে অবস্থান করছেন তিনি।

সূচক অনুযায়ী, কয়েক সপ্তাহের মধ্যে সম্পদের পরিমান ১৪০ বিলিয়ন ডলার থেকে কমে বর্তমানে ১২১ বিলিয়নে ঠেকেছে ।

গত ১৩ সেপ্টেম্বর থেকে ফেসবুকের অভ্যন্তরীণ নথির সূত্র ধরে ধারাবাহিক প্রতিবেদন প্রকাশ করতে শুরু করে প্রভাবশালী মার্কিন দৈনিক ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল। সেখানে বলা হয়, ফেসবুকের সেবাগুলো ব্যবহারকারীর জন্য ক্ষতিকর জেনেও প্রতিষ্ঠানটি কোনো ব্যবস্থা নেয়নি।

একটি প্রতিবেদনে বলা হয়, ইনস্টাগ্রাম কিশোরীদের মানসিক স্বাস্থ্যে ক্ষতিকর প্রভাব ফেলে। আরেকটি প্রতিবেদনে বলা হয়, গত ৬ জানুয়ারি যুক্তরাষ্ট্রের ক্যাপিটল হিলের ঘটনায় ফেসবুকের পরোক্ষ মদদ ছিল। এ ব্যাপারগুলো ফেসবুক ভালো করেই জানত।

প্রতিবেদনগুলোর জবাবে ফেসবুক বলেছে, ফেসবুকের পণ্যগুলো নিয়ে যেসব সমস্যার কথা বলা হচ্ছে, তা বেশ জটিল। এর পেছনে কেবল প্রযুক্তি একা দায়ী নয়।

ফেসবুকের গ্লোবাল অ্যাফেয়ার্সের ভাইস প্রেসিডেন্ট নিক ক্লেগ সিএনএনকে বলেন, ‘আমার মনে হয় যুক্তরাষ্ট্রে রাজনৈতিক মতভেদের পেছনে নিশ্চয় প্রযুক্তিগত কিংবা কারিগরি ব্যাখ্যা আছে ভেবে লোকে শান্তি পায়।’