ENGLISH  |  ARABIC  |  NNBDJOBS  |  BLOG
সর্বশেষ:

নিউজ ডেস্ক

৩ অক্টোবর ২০২১, ১২:১০

মুহিবুল্লাহ হত্যা মামলায় দুই আসামি তিন দিনের রিমান্ডে

20946_1.jpg
সংগৃহীত
কক্সবাজারের উখিয়া উপজেলায় কুতুপালং ক্যাম্পে রোহিঙ্গাদের শীর্ষনেতা এবং আরাকান রোহিঙ্গা সোসাইটি ফর পিস অ্যান্ড হিউম্যান রাইটসের (এআরএসপিএইচ) চেয়ারম্যান মুহিবুল্লাহ হত্যার ঘটনায় গ্রেপ্তার হওয়া দুই আসামিকে তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত।

কক্সবাজার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট তামান্না ফারাহ’র আদালত আজ রোববার এ রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

এরই মধ্যে মুহিবুল্লাহ হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় চার জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গ্রেপ্তার হওয়া ব্যক্তিরা হলেন মোহাম্মদ সেলিম ওরফে লম্বা সেলিম, জিয়াউর রহমান, আব্দুস সালাম ও শওকত উল্লাহ। এর মধ্যে রোহিঙ্গা ক্যাম্প থেকে গত শুক্রবার দুপুরে মোহাম্মদ সেলিম ওরফে লম্বা সেলিমকে এবং দিবাগত রাতে জিয়াউর রহমান ও আব্দুস সালামকে আটক করে আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন (এপিবিএন)। অপর দিকে, শওকত উল্লাহকে গতকাল শনিবার বিকেলে আটক করে উখিয়া থানা পুলিশ।

এর মধ্যে গতকাল শনিবার সন্ধ্যায় মোহাম্মদ সেলিম ওরফে লম্বা সেলিম ও শওকত উল্লাহকে গ্রেপ্তারের পর আদালতে সোপর্দ করে সাত দিনের রিমান্ড আবেদন করেছে পুলিশ। এরই মধ্যে আজ বেলা ১১টার দিকে ওই দুজনকে আদালতে নিয়ে আসা হয়েছে।

এর আগে রোহিঙ্গানেতা মুহিবুল্লাহ হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় গত বৃহস্পতিবার রাতে তাঁর ভাই হাবিবুল্লাহ বাদী হয়ে অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের আসামি করে থানায় মামলা করেন।

গত বুধবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে মুহিবুল্লাহকে তাঁর নিজ কার্যালয়ে পাঁচ রাউন্ড গুলি করে অজ্ঞাত বন্দুকধারীরা। এ সময় তিন রাউন্ড গুলি তাঁর বুকে লাগে। এতে তিনি ঘটনাস্থলে পড়ে যান। খবর পেয়ে এপিবিএনের সদস্যেরা তাঁকে উদ্ধার করে ‘এমএসএফ’ হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। পরে উখিয়া থানা পুলিশকে মরদেহ হস্তান্তর করা হয়।

রোহিঙ্গানেতা মুহিবুল্লাহ হত্যাকাণ্ডের পর থেকেই রোহিঙ্গা ক্যাম্পে জেলা পুলিশ ও এপিবিএনের টহল বাড়ানো হয়। হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িতদের গ্রেপ্তারে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী তৎপর রয়েছে বলে জানিয়েছেন ১৪ এপিবিএনের অধিনায়ক পুলিশ সুপার নাঈমুল হক।