ENGLISH  |  ARABIC  |  NNBDJOBS  |  BLOG
ব্রেকিং নিউজ

এনএনবিডি ডেস্ক

১৪ এপ্রিল ২০২১, ০৯:০৪

বছর ঘুরে এলো পবিত্র সিয়াম সাধনার মাস

16779_gjog.jpg
ছবি: সংগৃহীত

সারা বিশ্বের মুসলমানদের জন্য রহমত, বরকত আর নাজাতের বার্তা নিয়ে বছর ঘুরে আবার এলো পবিত্র সিয়াম সাধনার মাস রমজান। ইসলাম ধর্মের ৫টি মুল স্তম্ভের মধ্যে অন্যতম হলো রোজা। প্রত্যেক মুসলমানের জন্য রোজা একটি ফরজ ইবাদত।

বুধবার (১৪ এপ্রিল) থেকে শুরু হয়েছে প্রথম রোজা। করোনার সংক্রমণ থামাতে বিশেষ বিধিনিষেধ অনুযায়ী মসজিদগুলোতে সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে গতকাল এশার নামাজের পরে প্রথম তারাবির জামাত আদায় করা হয়।  ভোররাতে সেহরী খেয়ে আজ থেকে সিয়াম পালন করবেন তারা। সুর্যাস্ত পর্যন্ত কোনো ধরনের খাদ্য-পানীয় গ্রহণ থেকে বিরত থাকার মধ্য দিয়ে মহান আল্লাহর প্রতি আনুগত্য প্রকাশ করবেন ধর্মপ্রাণ মুসলমানরা।

 রমজান সম্পর্কে পবিত্র কোরআনে আল্লাহতায়ালা বলেন : হে মুমিনগণ! তোমাদের ওপর সিয়াম ফরয করা হয়েছে, যেমন ফরয করা হয়েছিল তোমাদের পূর্ববর্তীদের ওপর। যাতে তোমরা মুত্তাকী হতে পার। (সুরা বাকারাহ : ১৮৩)

রমজান মাসের প্রথম ১০ দিন রহমত, দ্বিতীয় ১০ দিন মাগফিরাত এবং শেষ ১০ দিন নাজাতের সওগাত নিয়ে আসে। শেষ দশদিনে রয়েছে পবিত্র রজনী লাইলাতুল কদর। লাইলাতুল কদর সম্পর্কে মহানবী (সাঃ) বলেছেন, “এ মাসে এমন একটি রাত রয়েছে যা হাজার রাতের চেয়ে শ্রেষ্ঠ। যে ব্যক্তি এর কল্যাণ থেকে বঞ্চিত হল সে মূলতঃ সকল কল্যাণ থেকেই বঞ্চিত হলো।”

এদিকে মসজিদে প্রতি ওয়াক্ত নামাজে সর্বোচ্চ ২০ জন মুসল্লি জামাতে অংশ নিতে পারবেন বলে নির্দেশনা দিয়েছে ধর্ম মন্ত্রণালয়। করোনা পরিস্থিতিতে আজ ১৪ এপ্রিল থেকে পরবর্তী নির্দেশনা না দেওয়া পর্যন্ত মসজিদে নামাজ আদায়ে এ নির্দেশনা বলবৎ থাকবে।

ধর্ম মন্ত্রণালয়ের উপসচিব মো. সাখাওয়াৎ হোসেন স্বাক্ষরিত সোমবার জারিকৃত নির্দেশনায় বলা হয়, করোনা পরিস্থিতিতে সুরক্ষা ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে মসজিদে পাঁচ ওয়াক্ত নামাজের প্রতি ওয়াক্তে সর্বোচ্চ ২০ জন মুসল্লি অংশ নিতে পারবেন। রমজানে তারাবির নামাজে খতিব, ইমাম, হাফেজ, মুয়াজ্জিন ও খাদিমসহ সর্বোচ্চ ২০ জন মুসল্লি অংশগ্রহণ করবেন। জুমার নামাজে সামাজিক দূরত্ব ও স্বাস্থ্যবিধি মেনে মুসল্লিরা অংশ নেবেন। মুসল্লিদের পবিত্র রমজানে তিলাওয়াত ও যিকিরের মাধ্যমে মহান আল্লাহর রহমত ও বিপদ মুক্তির জন্য দোয়া করার অনুরোধ জানানো হয়েছে।

করোনাভাইরাস সংক্রমণ রোধে স্থানীয় প্রশাসন, আইন শৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণকারী বাহিনী, ইসলামিক ফাউন্ডেশনের কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং সংশ্লিষ্ট মসজিদের পরিচালনা কমিটিকে এই নির্দেশনা বাস্তবায়ন করার জন্য অনুরোধ জানানো হয়।