ENGLISH  |  ARABIC  |  NNBDJOBS  |  BLOG
ব্রেকিং নিউজ

এনএনবিডি২৪ ডেস্ক

৩০ মার্চ ২০২১, ১৮:০৩

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় প্রেসক্লাব হামলার তদন্তের দাবি

16510_ব্রাহ্মণবাড়িয়া ম্যৃাপ.jpg
ছবি- সংগৃহীত

 

হেফাজতে ইসলামের হরতালের সময় ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রেসক্লাবে ভাঙচুর ও গণমাধ্যমকর্মীদের ওপর হামলার ঘটনার বিচার বিভাগীয় তদন্তের দাবি উঠেছে। হেফাজত ও তাদের সহযোগী সব ধর্মীয় সংগঠনের সংবাদ বর্জনের ঘোষণা দিয়েছেন সাংবাদিকেরা।
 
মঙ্গলবার (৩০ মার্চ) জেলা শহরে এক প্রতিবাদ সমাবেশ থেকে এই দাবি জানান তারা। ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রেসক্লাবের উদ্যোগে এই কর্মসূচি পালিত হয়েছে।
 
বেলা সাড়ে ১১টার দিকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রেসক্লাব চত্বর থেকে সাংবাদিকেরা বিক্ষোভ মিছিল বের করেন। মিছিলটি শহরের প্রধান প্রধান সড়ক হাসপাতাল রোড, মঠের গোড়া, ঘোড়াপট্টি সেতু ও টি এ রোড এলাকা প্রদক্ষিণ করে। পরে প্রেসক্লাব চত্বরে গিয়ে অংশগ্রহণকারীরা প্রতিবাদ সমাবেশে মিলিত হন।
 
সমাবেশে ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রেসক্লাবের জ্যেষ্ঠ সহসভাপতি পীযূষ কান্তি সভাপতিত্ব করেন। বক্তব্য দেন প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক জাবেদ রহিম, টেলিভিশন জার্নালিস্ট অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মনজুরুল আলম, প্রেসক্লাবের সহসভাপতি ইব্রাহীম খান, সাবেক সভাপতি সৈয়দ মিজানুর রেজা, খ আ ম রশীদুল ইসলাম ও মোহাম্মদ আরজু, সাবেক সাধারণ সম্পাদক আ ফ ম কাউসার এমরান ও দীপক চৌধুরী বাপ্পি, জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক আবদুন নূর, জয়দুল হোসেন প্রমুখ। সমাবেশ সঞ্চালনা করেন সাংবাদিক মনির হোসেন।
 
 
বক্তারা প্রেসক্লাব ভবন ও সাংবাদিকদের ওপর হামলার নিন্দা জানিয়ে বলেন, অতীতের কোনো আন্দোলন-সংগ্রামের সময় প্রেসক্লাবে হামলার ঘটনা ঘটেনি। পরিকল্পিতভাবে হত্যার উদ্দেশ্যে প্রেসক্লাবের সভাপতির ওপর হামলা চালানো হয়েছে। যাঁরা প্রেসক্লাব ও সাংবাদিকদের ওপর হামলার সঙ্গে জড়িত, তাঁদের খুঁজে বের করার দায়িত্ব হেফাজতে ইসলামের নেতাদেরই নিতে হবে। পাশাপাশি প্রেসক্লাবসহ ব্রাহ্মণবাড়িয়া শহরজুড়ে চালানো তাণ্ডবের ঘটনায় বিচার বিভাগীয় তদন্তের দাবি জানান বক্তারা। হামলার ঘটনার সময় প্রশাসনের নিষ্ক্রিয় ভূমিকার নিন্দা জানিয়ে বক্তারা হেফাজতে ইসলাম ও তাদের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সব ধর্মীয় সংগঠনের সংবাদ বর্জনের ঘোষণা দেন।
 
২৬ মার্চ থেকে ২৮ মার্চ পর্যন্ত ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় মাদ্রাসা ছাত্র ও হেফাজতের কর্মী-সমর্থকেরা সাংবাদিকদের ওপর হামলা চালান বলে অভিযোগ ওঠে। হামলায় প্রেসক্লাবের সভাপতি রিয়াজ উদ্দিন, একুশে টিভির জেলা প্রতিনিধি মীর মো. শাহীন, ডেইলি স্টারের জেলা প্রতিনিধি মাসুক হৃদয়, আমাদের নতুন সময়ের জেলা প্রতিনিধি আবুল হাসনাত মো. রাফি, ডেইলি ট্রাইব্যুনালের জেলা প্রতিনিধি ইফতেয়ার উদ্দিন রিফাত ও এটিএন নিউজের আলোকচিত্রী সুমন রায় আহত হন। এ ছাড়া ২৮ মার্চ হরতাল চলাকালে ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রেসক্লাবে হামলা চালিয়ে ভাঙচুর করা হয়।
 
 
ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক জাবেদ রহিম প্রথম আলোকে বলেন, প্রেসক্লাবে ভাঙচুর ও সাংবাদিকদের ওপর হামলার ঘটনায় তাঁরা মামলার প্রস্তুতি নিচ্ছেন।