ENGLISH  |  ARABIC  |  NNBDJOBS  |  BLOG
ব্রেকিং নিউজ

এনএনবিডি২৪ ডেস্ক

১৮ মার্চ ২০২১, ১৯:০৩

অপরাধ বিজ্ঞানের অপরাধ!

ঢাবির অপরাধ বিজ্ঞানে নানা অপরাধ

16239_ঢাবি অ বি.jpg
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়। ছবি- সংগৃহীত
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) অপরাধ বিজ্ঞান বিভাগে আর্থিক অনিয়মের নানা অভিযোগ পাওয়া গেছে। গত পাঁচ বছরে বিভাগের বিভিন্ন খাতে প্রায় তিন কোটি ৮০ লাখ ১০ হাজার ৯৯৩ টাকার অর্থ ব্যয়ে নয়-ছয় করা হয়েছে বলে অভিযোগে তুলে ধরা হয়েছে। সম্প্রতি বিশ্ববিদ্যালয়ের করা একটি নিরীক্ষা প্রতিবেদনে এই অনিয়মের অভিযোগ পাওয়া গেছে।
 
সোমবার (১৫ মার্চ) সকাল ১০টা থেকে বিভাগের মিটিং রুমে এই অডিট উপস্থাপন করা হয়। বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. খন্দকার ফারজানা রহমান এই নিরীক্ষা উপস্থাপন করেন।
 
২০১৫ সালের ১ আগস্ট থেকে ২০২০ সালের ৩০ আগস্ট পর্যন্ত সময়ের মোট খরচের ব্যয় এই নিরীক্ষা প্রতিবেদনে তুলে ধরা হয়েছে। এই সময়ের মধ্যে বিভাগের চেয়ারম্যানের দায়িত্বে ছিলেন অধ্যাপক জিয়া রহমান। বর্তমানে এই বিভাগের চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্বে রয়েছেন অধ্যাপক খন্দকার ফারজানা রহমান। যিনি ২০২০ সালের ২ ফেব্রুয়ারি দায়িত্ব গ্রহণ করেন।
 
দীর্ঘ এই সময়ে খরচ হওয়া বিভিন্ন খাতে বিপুল পরিমাণ টাকার বিলের ভাউচার না পাওয়া, কিছু ভাউচার পাওয়া গেলেও তার নম্বর না সাজানো এবং তার ধারাবাহিকতা রক্ষা না করা, বিশ্ববিদ্যালয়ের নিয়ম থাকলেও এসব হিসেবের ক্যাশবুক এবং স্কট রেজিস্টার প্রস্তুত না করা, খরচের অনুমোদন ও ভাউচারগুলোতে চেয়ারম্যানের কোনো স্বাক্ষর না থাকা, বড় বড় খরচের ক্ষেত্রে কোনো কমিটি গঠন না করে টাকা ব্যয় করা, একাডেমিক কমিটির অনুমোদন না নেওয়া ইত্যাদি অনিয়মের বিষয় তুলে ধরা হয়েছে এই নিরীক্ষা প্রতিবেদনে। কিন্তু এসব খরচের টাকা উত্তোলনের চেকে চেয়ারম্যান স্বাক্ষর করেছেন।
 
বিভাগের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে দীর্ঘ সময়ের এই হিসাবের নিরীক্ষা পরিচালনা করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের হিসাব বিভাগের অভ্যন্তরীণ অডিট শাখা সহকারী হিসাব পরিচালক (অডিট) আহসানুল আলম ও উপ-হিসাব পরিচালক খোরশেদ আলম।
 
নিরীক্ষা প্রতিবেদন অনুযায়ী, ব্যাংকের জমা ও উত্তোলনের হিসাব যথাযথ প্রমাণের অভাবে সঠিকভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি এবং নিরীক্ষায় চেকের জমা রশিদ পাওয়া যায়নি। নিরীক্ষক দল ব্যাংক বিবরণীকে ভিত্তি করে নিরীক্ষা কার্য সম্পাদন করেছেন। নিরীক্ষা কর্মকর্তারা ব্যাংক রিকাউন্সিলেশন করে আয় ও ব্যয়ের হিসাব তৈরি করেছে। কোনো ক্রয়ের ভ্যাট ও আয়কর কর্তন করা হয়নি। ফলে সরকারের রাজস্ব ক্ষতি হয়েছে ভ্যাটবাবদ প্রায় দুই লাখ ৩৮ হাজার ২৭৩ টাকা এবং আয়কর বাবদ দুই লাখ ৫৫৬ টাকা।
 
নিরীক্ষা পর্যালোচনা করে দেখা যায়, বিভাগের বিভিন্ন পরীক্ষা সংক্রান্ত ব্যয়ে শিক্ষক সম্মানী থেকে প্রাপ্য ১০ ভাগ হারে আয়কর কর্তন করা হয়েছে। কিন্তু তা সরকারি কোষাগারে জমা দেওয়া হয়নি। ফলে সরকারের রাজস্ব ক্ষতি আয়কর বাবদ ১৩ লাখ ৬৫ হাজার টাকা।
 
এ ছাড়া, বিভাগের ক্লাসরুমের জন্য একটি কম্পিউটার ও একটি প্রজেক্টরের বিল থেকে ১১ হাজার ৫৭৫ টাকা ভ্যাট বাবদ (চেক নম্বর-২৬১১৮৮৮, ২০১৭ সালের ১৭ ডিসেম্বর) উত্তোলন করা হয়েছে। কিন্তু সরকারি কোষাগারে জমা প্রদানে কোনো প্রমাণ দেখাতে পারেনি। ২০১৮ সালের ২৮ নভেম্বরে উপকরকমিশনারকে প্রদত্ত আট হাজার ৫৮৯ টাকার (চেক নম্বর ১৯২৩৮৭৩) কারণ ও প্রমাণ নেই।
 
নিয়োগের বিষয়ে নিরীক্ষার প্রতিবেদনে বলা হয়, বিগত পাঁচ বছরের মধ্যে ওই বিভাগে সিন্ডিকেট কমিটির সুপারিশে দুইজন অস্থায়ী কর্মচারী নিয়োগ দেওয়া হয়, যাতে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের কোনো অনুমোদন নেই।
 
এ ছাড়া, অধ্যাপক জিয়া সান্ধ্যকালীন মাস্টার্স প্রোগ্রাম চালু করা প্রসঙ্গে প্রশাসনিক অনুমোদনের প্রমাণ নিরীক্ষককে দেখাতে পারেননি। সান্ধ্যকালীন কোর্স থেকে আয়ের নির্ধারিত একটি অংশ বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় তহবিলে জমা দেওয়ার নিয়ম থাকলেও তা প্রদান করা হয়নি। একাডেমিক কমিটির অনুমোদন ছাড়া বড় অঙ্কের ঋণ দেওয়া হয়েছে।
 
নিরীক্ষার প্রতিবেদন অনুযায়ী, সান্ধ্যকালীন কোর্সের সঙ্গে জড়িত শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের সম্মানী/পারিশ্রমিক প্রদান নিয়ে কোনো নীতিমালা শুরুতেই গ্রহণ করা হয়নি। অনেক পরে তা তৈরি করা হয়, যা একাডেমিক কমিটির অনুমোদিত নয়। ফলে নিয়ম বহির্ভূতভাবে ব্যয় করা হয়েছে। এ খাতে ব্যয় হয়েছে এক কোটি ৩৬ লাখ ৫০ হাজার টাকা। পরবর্তীতে নীতিমালা হলেও ওই নীতিমালা বহির্ভূতভাবে চেয়ারম্যানের সম্মানী বাবদ ১৭ লাখ টাকা উত্তোলন করেন।
 
বিগত পাঁচ বছরের মধ্যে ওই বিভাগ বিভিন্ন ধরনের দেশীয়-আন্তর্জাতিক সেমিনার, সভার আয়োজন করে। এসব বিষয়গুলোর খরচের ব্যয়ও প্রতিবেদনে তুলে ধরা হয়। এসবগুলোর মধ্যে রোহিঙ্গা প্রজেক্টের এক লাখ টাকা ব্যয়, ওরিয়েন্টেশন প্রোগ্রামের নামে আট লাখ টাকা ব্যয়, বিভাগীয় কক্ষ সংস্কারের নামে ৪২ লাখ টাকা ব্যয়, কমপিউটার ল্যাব সংস্কারে এক লাখ ৮০ হাজার টাকা ব্যয়, প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে পাঁচ লাখ ৫০ হাজার টাকা ব্যয়, কনফারেন্সের অনুদান নয় লাখ টাকা, ইন্টারন্যাশনাল কনফারেন্স আয়োজনের ব্যয় ১০ লাখ টাকা, ভারত ও ভিয়েতনাম ভ্রমণ বাবদ ১১ লাখ টাকা, কমপিউটার ও অন্যান্য মালামাল ক্রয়ের ব্যয়ে ১২ লাখ ৩১ হাজার টাকা ব্যয় করা হয়। যদিও এসব ব্যয়ের সপক্ষে অনেক খরচের ভাউচার পাওয়া যায়নি।
 
নিরীক্ষকদের মতে, এসব খরচের কোনো অনুমোদন নেই। এবং কোনো কমিটি গঠন ছাড়াই এই অর্থ ব্যয় করা হয়েছে। এমনকি যা ভাউচার পাওয়া গেছে তার ৯৫ ভাগ শতাংশে কারও স্বাক্ষর নেই, টাকা গ্রহণের রিসিভ নেই এবং যথাযথ প্রক্রিয়ায় ভাউচার সংরক্ষণ করা হয়নি, যার হিসাবও রাখা হয়নি।
 
জানা যায়, অপরাধ বিজ্ঞান বিভাগের দুইজন শিক্ষকের নামে মোট এক কোটি টাকার এফডিআর খোলা হয়েছে, যা নিয়মবহির্ভূত। যদিও নিয়মানুযায়ী, চেয়ারম্যান অপরাধ বিজ্ঞান বিভাগের নামে করতে হবে। ওই এফডিআরের হিসাব এবং উক্ত এফডিআর থেকে প্রাপ্ত সুদ হিসেবে জমা হয়।
 
বিভাগের চেয়ারম্যান তাঁর পারিশ্রমিক গ্রহণের ক্ষেত্রে আয়কর বাবদ ১১ দশমিক ১১ শতাংশ টাকা যোগ করে সম্মানী গ্রহণ করেছেন, কিন্তু অন্যদের ক্ষেত্রে মূল টাকা থেকে ১০ শতাংশ হারে আয়কর কর্তন করেছেন। যদিও কর্তনকৃত আয়কর সরকারি কোষাগারে জমা দেননি।
 
অন্যদিকে, অস্থায়ী কর্মচারীদের বেতন প্রদানের সঙ্গে উত্তোলনের সঠিক হিসাব নেই এবং উত্তোলনের সঙ্গে প্রদানের ধারাবাহিকতারও মিল নেই। আপ্যায়ন ও আনুষঙ্গিক বাবদ এক লাখ ৫৬  হাজার টাকার সঠিক হিসাব পাওয়া যায়নি।
 
অস্বচ্ছ প্রক্রিয়ায় হওয়া এসব ব্যয়ের বিষয়ে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, বিগত পাঁচ বছরে মোট ছয় লাখ ২০ হাজার টাকা ব্যয় হয়েছে। কোনো ধরনের ভাউচার ছাড়াই এসব টাকা কোন খাতে ব্যয় করা হয়েছে তার কোনো প্রমাণ রাখা হয়নি। যদিও এসব খরচের চেক এবং খরচের তারিখ সংরক্ষণ করেছেন নিরীক্ষকরা। এসবের মধ্যে রয়েছে- ২৫ হাজার টাকা (চেক নং- এবি-১৩৪৭২৮ তাং- ২০১৫ সালের ২২ ডিসেম্বর, এক লাখ টাকা (চেক নং- এবি-১৩৪৭৩০, তাং- ২০১৬ সালের ৪ ফেব্রুয়ারি), এক লাখ ৫৫ হাজার টাকা (চেক নং-সিডিবি- ২৬১১৮২১, ২০১৬ সালের ১১ মে), দুই লাখ টাকা (চেক নং- এবি-১৩৪৭৬৪, ২০১৭ সালের ১৬ এপ্রিল), ৫০ হাজার টাকা (চেক নং সিডিবি-১৬১১৮৭৭, ২০১৭ সালের ৭ সেপ্টেম্বর), ৯০ হাজার টাকা (চেক নং-সিডিবি-২৬১১৮৯১, ২০১৮ সালের ২৮ মে)।
 
প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, অপরাধ বিজ্ঞান বিভাগের বর্তমান খন্দকার ফারজানা রহমান চেয়ারম্যানের দায়িত্ব গ্রহণ করেন ২০২০ সালের ২ ফেব্রুয়ারি। পাঁচ বছরের নিরীক্ষার সময়ে নতুন চেয়ারম্যানের সাত মাসের ক্রয় সংক্রান্ত কোনো লেনদেন হয়নি বলেও জানান নিরীক্ষকরা। তবে এর মধ্যে অস্থায়ী কর্মচারীদের বেতন, পরীক্ষা সংক্রান্ত অরিয়েন্টেশন ও দান-অনুদানের কিছু ব্যয় হয়েছে।
 
২০১৫ সালের ১ আগস্ট থেকে ২০২০ সালের ৩০ আগস্ট পর্যন্ত সময়ের মধ্যে আর্থিক লেনদেন যথাযথ নিয়ম অনুসরণ করা হয়নি। এবং নিরীক্ষার যথাযথ প্রমাণ দেখাতে পারেনি। আর এই সময়ে বিভাগের চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্বে ছিলেন অধ্যাপক জিয়া রহমান।
 
চার পৃষ্ঠার এই প্রতিবেদনে নিরীক্ষক তাদের কয়েকটি সুপারিশ তুলে ধরেন। সেগুলোর মধ্যে রয়েছে- বিভাগকে পাঁচ হাজার এক টাকা থেকে ২৫ হাজার টাকা পর্যন্ত ক্রয়ের ক্ষেত্রে তিন সদস্য বিশিষ্ট অভ্যন্তরীণ ক্রয়ের মাধ্যমে কার্যক্রম সম্পন্ন করা এবং বিল ভাউচারের ক্রয় কমিটির স্বাক্ষর নিতে হবে; ২৫ হাজার টাকার ওপরে আর্থিক সংবিধি পিপিআর যথাযথভাবে অনুসরণ করার জন্য অনুরোধ করা হলো; সংশ্লিষ্ট বিভাগের হিসাব বিভাগকে ভবিষ্যতে বছরান্তে বা নির্দিষ্ট সময়ন্তে আয় ও ব্যয় বিবরণী তৈরি করে চেয়ারম্যানের অনুমোদন নেওয়ার জন্য পরামর্শ প্রদান করা হলো; সঠিকভাবে হিসাব সংরক্ষণের জন্য ক্যাশবুক, স্টক রেজিস্টার, চেক রেজিস্টার মেইনটেইন করা, সমস্ত ভাউচারে চেয়ারম্যানের স্বাক্ষর গ্রহণ এবং এ বিষয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অভ্যন্তরীণ অডিটের সহায়তা দেওয়া হলো।
 
এ বিষয়ে অপরাধ বিজ্ঞান বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. খন্দকার ফারজানা রহমান এনটিভি অনলাইনকে বলেন, ‘আমার দায়িত্ব নেওয়ার আগে প্রায় পাঁচ বছর ধরে বিভাগে অডিট হয় না। কিন্তু প্রতি বছরই এই অডিট করার নিয়ম। এজন্য বিভাগ এই অডিট করার সিদ্ধান্ত নেয়। আমার দায়িত্ব নেওয়ার পর সাত মাস ও এর আগের মোট পাঁচ বছরে বিভিন্ন খাতে অর্থ ব্যয়ের জন্য নিরীক্ষা করা হয়েছে। সেখানে সাবেক চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে ব্যাপকভাবে অর্থ কেলেঙ্কারির প্রমাণ পাওয়া গেছে। অর্থ ব্যয়ের টাকার রশিদ নেই, কোনো কমিটির মাধ্যমে কোনো টাকা খরচ করা হয়নি। আবার কিছু রশিদ পাওয়া গেলেও তাতে স্বাক্ষর নেই। এভাবে কয়েক কোটি টাকার মতো অর্থ নয়-ছয় হয়েছে।
 
অধ্যাপক ড. খন্দকার ফারজানা রহমান বলেন, অডিট উপস্থাপন করার সময় একজন শিক্ষক তার বিরুদ্ধে কথা বলেন। বাকি শিক্ষকেরা এটাকে সমর্থন জানান।
 
অভিযোগের বিষয়ে অধ্যাপক জিয়া রহমান বলেন, ‘আমি ছয় বছর বিভাগের চেয়ারম্যান ছিলাম। এই সময়ে বিভাগকে একটি অনন্য পর্যায়ে নিয়ে গেছি। আমি বিভাগ থেকে চলে আসার সময় দুই কোটি টাকার বেশি রেখে এসেছে। আমার সময়ে অনেক টাকা খরচ হয়েছে। আমি সব হিসাব বিশ্ববিদ্যালয়কে দিয়েছি। কিছু টাকার হিসাব হয়তো হেরফের হতে পারে। এটা খুব বেশি না।’
 
অধ্যাপক জিয়া বলেন, ‘এটা আমার বিরুদ্ধে একটা বড় ষড়যন্ত্র। আমাকে হেয়প্রতিপন্ন করতে এই অভিযোগ আনা হয়েছে।’
 
যোগাযোগ করা হলে সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. সাদেকা হালিম এনটিভি অনলাইনকে বলেন, ‘অডিট করা একান্ত বিভাগের বিষয়। কারও বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগ এলে সেটা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন দেখবে, ডিন অফিস নয়।’
 
অভিযোগের বিষয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আখতারুজ্জামান এনটিভি অনলাইনকে বলেন, ‘কোনো বিভাগ যেকোনো খাতে টাকা ব্যয় করতে গেলে আগে একটি কমিটি গঠন করতে হবে। এবং প্রতিটি ব্যয়ের হিসাবের স্বচ্ছতা রাখতে হবে। আমি বিভাগের চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেছি। আমার অভিজ্ঞতা দিয়ে বলতে পারি, বিভাগের সব ধরনের কাজে একাডেমিক কমিটি ও সিঅ্যান্ডডির অনুমোদন নিতে হবে। এই নিয়ম বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাদেশেই রয়েছে।’

তথ্য সূত্র: এনটিভি অনলাইন।