ENGLISH  |  ARABIC  |  NNBDJOBS  |  BLOG
ব্রেকিং নিউজ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

১০ মার্চ ২০২১, ১৫:০৩

পাকিস্তান, তুরস্ক, যুক্তরাষ্ট্র

পাকিস্তানে তুর্কি হেলিকপ্টার বিক্রি বন্ধ করল যুক্তরাষ্ট্র

16107_পাকিস্তান.jpg
যেকোন আবহাওয়ায় হামলা চালাতে সক্ষম অ্যাটাক হেলিকপ্টার। ছবি- সংগৃহীত
জোড়া ইঞ্জিন, জোড়া আসন, বহু ধরনের ভূমিকা পালন ও সব ধরনের পরিস্থিতিতে হামলায় সক্ষম অ্যাটাক টি-১২৯ হেলিকপ্টার। পাকিস্তানের কাছে দেশীয় প্রযুক্তিতে যেকোন আবহাওয়ায় হামলা চালাতে সক্ষম ৩০টি অ্যাটাক হেলিকপ্টার সরবরাহে তুরস্ককে বাধা দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। ব্লুমবার্গ নিউজকে উদ্ধৃত করে এ খবর দিয়েছে পাকিস্তানের অনলাইন ডন।

এতে আরো বলা হয়, সেমাবার (০৮ মার্চ) তুরস্কের প্রেসিডেন্সিয়াল মুখপাত্র ইব্রাহিম কালিন সাংবাদিকদের বলেছেন, পাকিস্তানের কাছে তুরস্কের হেলিকপ্টার বিক্রি বন্ধ করে দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। এর ফলে ইসলামাবাদ এসব হেলিকপ্টার চীনের কাছ থেকে কিনতে বাধ্য হবে।

তুরস্কের কাছ থেকে পাকিস্তান দুই ইঞ্জিনবিশিষ্ট এটিএকে টি-১২৯ হেলিকপ্টার কিনতে চেয়েছিল। এটি এমন একটি হেলিকপ্টার যার সামনে ও পিছনে সিট আছে। বহুবিধ ভূমিকায় এবং সব আবহাওয়ায় এটা আক্রমণে ব্যবহার্য্য হেলিকপ্টার। বর্তমানে অগাস্টা এ১২৯ ম্যাঙ্গুস্তা প্লাটফর্মে রয়েছে এসব হেলিকপ্টার।

এতে রয়েছে আমেরিকান ইঞ্জিন। এই ইঞ্জিনবিশিষ্ট হেলিকপ্টার রপ্তানিতে ক্লিয়ারেন্স আটকে রেখেছে যুক্তরাষ্ট্র। ইব্রাহিম কালিন বলেন, এই ব্লকেডের কারণে যুক্তরাষ্ট্রের স্বার্থ অনেক ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।

উল্লেখ্য, ২০১৮ সালের জুলাইয়ে তুরস্কে নির্মিত এই হেলিকপ্টার কিনতে ১৫০ কোটি ডলারের চুক্তি স্বাক্ষর করে তুরস্ক ও পাকিস্তান। কিন্তু রপ্তানি লাইসেন্স ইস্যু করতে অস্বীকৃতি জানায় পেন্টাগন। এরফলে ওই হেলিকপ্টার সরবরাহের তারিখ পিছিয়ে দেয়া হয়।

রাশিয়ার কাছ থেকে আঙ্কারা এস-৪০০ ক্ষেপণাস্ত্র কেনার সিদ্ধান্ত নেয়ার পর তুরস্কের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা দেয় যুক্তরাষ্ট্র। এতে কি ক্ষতিকর প্রভাব পড়ছে তা নিয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে ব্রিফিংয়ে সব তথ্য প্রকাশ করেন তুরস্কের কর্মকর্তারা। 

ইব্রাহিম কালিন বলেন, তুরস্ককে উপযুক্ত শর্তসাপেক্ষে প্যাট্রিয়ট ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা দিতে অস্বীকৃতি জানায় ওয়াশিংটন। এরপরেই রাশিয়ার কাছ থেকে ক্ষেপণাস্ত্র কিনতে বাধ্য হয় তুরস্ক। ফলে যুক্তরাষ্ট্র নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে। এর ফলে রাশিয়ার সঙ্গে যেকোনো রকম সামরিক চুক্তি করা থেকে বিরত রাখা হয়েছে। মার্কিন ঋণ পাওয়ার ক্ষেত্রে বিধিনিষেধ দেয়া হয়েছে।